মেনু নির্বাচন করুন

কৃষি তথ্য সার্ভিস

কৃষি তথ্য সার্ভিস ১) সকল শ্রেণীর কৃষকদের সম্প্রসারণ সহায়তা প্রদান ২) কৃষকদের দক্ষ ও সম্প্রসারণ সেবা দেওয়া ৩) কৃষি বিষয় ককর্মসূচী বিকেন্দ্রীকরন ৪) চাহিদা ভিত্তিক কৃষিসম্প্রসারণ কার্যক্রম গ্রহণ ৫) সকল শ্রেণীর কৃষকদের সাথে কাজ করা ৬) কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করন ৭) সম্প্রসারণ কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা ৮) উপযুক্ত সম্প্রসারণ পদ্ধতির ব্যবহার ৯) সমন্বিত সম্প্রসারণ সহায়তা প্রদান ১০) সম্মিলিত সম্প্রসারণ কার্যক্রম গ্রহণ ১১) পরিবেশ সংরক্ষণে সমন্বিত সহায়তা প্রদান ১২) কৃষি বাণিজ্যি কী করন ১৩) কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ পদ্ধতির ব্যবহার।

কৃষি তথ্য সার্ভিস বর্তমান বিশ্ব তথ্য-প্রযুক্তির বিশ্ব। জীবন উন্নয়ন ও টেকসই বিশ্ব গড়তে তথ্য প্রযুক্তির সেবা আবশ্যক। বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। সে কারণে গ্রামীণ জনগোষ্ঠির জীবনযাত্রা উন্নয়নে তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক ই-কৃষি এনে দিতে পারে নতুন সম্ভাবনা। কৃষকের চাহিদা মাফিক, সঠিক সময়োপযোগী ও আধুনিক তথ্য, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ প্রযুক্তি ইন্টারনেট, মোবাইল -এর মাধ্যমে সরবরাহ করলে তা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষি তথ্য প্রযুক্তি কেন? পরিবর্তিত জলবায়ু ও বাজার অর্থনীতির প্রভাবে কৃষি এখন বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। আন্তর্জাতিক বাজারনীতি, অর্থনীতি, বিপণন অবকাঠামো, জীব-বৈচিত্রের পরিবর্তন কৃষিকে সত্যিকার অর্থেই হুমকির মুখে পড়েছে। কৃষিক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যা হচ্ছে গ্রামীণ পর্যায়ে কোন তথ্য কেন্দ্র নেই। কৃষকবান্ধব তথ্য-প্রযুক্তির ডিজিটাইজেশন অপ্রতুল। কৃষক সংগঠন ও সমবায় ব্যবস্থার অভাব। বাজার অবকাঠামো ও বিপণন ব্যবস্থার সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার অভাব। উৎপাদক ও ভোক্তাবান্ধব কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন অসম। কৃষিঋণ ও কৃষি ভর্তূকির সরকারি তথ্য সরবরাহ সমপ্রচার অপর্যাপ্ত। সময়োপযোগী ও চাহিদাভিত্তিক তথ্যের বিস্তার কম। এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ই-কৃষির ব্যবহার আনতে পারে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। ই-কৃষি: জাতীয় কৃষি নীতিতে ই-কৃষি অন্তর্ভূক্তকরণ। ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি তথ্য কেন্দ্র সমপ্রসারণ। কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইসিটি বিষয়ে উৎসাহী ও প্রশিক্ষিতকরণ। কৃষকবান্ধব ই-কৃষি কনটেন্ট তৈরি ও ব্যবহার। কৃষি ভিত্তিক ওয়েবসাইট, ওয়েব টিভি, ওয়েব বেতার চালু করা। কমিউনিটি বেতার চালুকরণ। পূণার্ঙ্গ কৃষি চ্যানেল প্রতিষ্ঠা ও সমপ্রচার। টেরিস্ট্রিয়াল ও স্যাটেলাইট চ্যানেলে কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠানের সমপ্রচার সময় বৃদ্ধি। কমিউনিটি পর্যায়ে কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপন: আধুনিক কৃষি তথ্য সেবা প্রদানের জন্য কমিউনিটি পর্যায়ে ওয়ানস্টপ সার্ভিসের আদলে কৃষিভিত্তিক যাবতীয় তথ্য প্রদানের ব্যবস্থা করা। আর এ তথ্য কেন্দ্র থেকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠি পেতে পারে কৃষি, মৎস্য, পশুসম্পদ এবং সরকারে নীতি বাস্তবায়ন কৌশলসহ স্বাস্থ্য, বাজারদর, কৃষি বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র। তাছাড়া কৃষি বিষয়ক মুদ্রণ সামগ্রী- বুকলেট, লিফলেট, ও প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং ফোন ইন প্রোগ্রামের সুবিধা। কেয়াইন ইউনিয়ন কৃষি তথ্য কেন্দ্র থেকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠিকে ওপরোক্ত সেবা ছাড়াও নিম্নোক্ত সেবা প্রদানের এর মাধ্যমে কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ০১। মাঠ পর্যায়ে কৃষক গনকে কৃষি বিষয়ে অনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষন প্রদান। ০২। কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারনের লক্ষ্য বিভিন্ন ফসলের প্রদর্শনী স্থাপনে সহায়তা করা ০৩। কৃষকদের সাথে ব্যক্তিগত ও দলীয় আলোচনার মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও তথ্য হস্থামত্মর। ০৪। মাঠে ফমলের সমস্যা নিরম্নপন ও কৃষককে সমাধান দেওয়ার ক্ষেত্র বিশেষে উর্ধতন কতৃপক্ষকে ফসলের সমস্যা অবহিত করা। ০৫। ফসল উৎপাদন সংক্রামত্ম যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষন এবং উর্ধতন কতৃপক্ষ বরাবর প্রতিবেদন দাখিল। ০৬। বিভিন্ন কৃষি বিষয়ক জরিপ সম্প্রসারন করা।